কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ট্রানজিট বা প্রবেশের সময় ইসরাইলি পাসপোর্টধারী ভ্রমণকারীরা আটকের মুখে পড়ছেন, এমন তথ্য প্রকাশ করেছে ইসরাইলভিত্তিক সংবাদমাধ্যমগ্লোবালের l
শনিবার (২৮ মার্চ) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিক কয়েক মাসে অন্তত আটজন ইসরাইলিকে সেখানে আটক করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আটক হওয়া ব্যক্তিদের কেউ মালয়েশিয়ায় প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন, আবার কেউ অন্য দেশে যাওয়ার পথে ট্রানজিটে ছিলেন। উল্লেখ্য, মালয়েশিয়া ও ইজলাইলের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, যা এ ধরনের ঘটনার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
একটি ঘটনায় দেখা যায়, -এ ট্রানজিটের সময় ফিলিপাইনগামী চারজন ইসরাইলি তরুণ-তরুণীকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে দুজন নারী জানান, থাইল্যান্ড থেকে ফিলিপাইনে যাওয়ার পথে তারা একটি চ্যাটবটের মাধ্যমে কুয়ালালামপুরে ট্রানজিট নিরাপদ কিনা জানতে চেয়েছিলেন এবং ইতিবাচক উত্তর পেয়েছিলেন। তবে পরে পরিস্থিতি বুঝে তারা ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
আরেক ঘটনায়, কলম্বিয়া থেকে ফিলিপাইনে যাওয়ার পথে দুই ইসরাইলি পুরুষকে মালয়েশিয়ায় আটক করা হয় এবং দুই দিন পর তাদের আবার কম্বোডিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব আটকের মেয়াদ সাধারণত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা হলেও অনেক ক্ষেত্রে তা দীর্ঘায়িত হয়। বিশেষ করে, অন্য দেশগুলো বহিষ্কৃত ইসরাইলিদের প্রবেশের অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে, ফলে ভ্রমণকারীদের যাত্রা বিলম্বিত হওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত ব্যয়ের মুখে পড়তে হয়।
এদিকে,সিঙ্গাপুরে এ অবস্থিত ইসরাইলি দূতাবাসের সহায়তায় কয়েকজনকে মুক্ত করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রদূত এলিয়াহু ভেরেড হাজান নাগরিকদের মালয়েশিয়া ভ্রমণ বা ট্রানজিট এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।
তার মতে, সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ভ্রমণকারীদের জন্য ভোগান্তির পাশাপাশি সময়ক্ষেপণ ও অতিরিক্ত খরচের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিক কয়েক মাসে অন্তত আটজন ইসরাইলিকে সেখানে আটক করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আটক হওয়া ব্যক্তিদের কেউ মালয়েশিয়ায় প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন, আবার কেউ অন্য দেশে যাওয়ার পথে ট্রানজিটে ছিলেন। উল্লেখ্য, মালয়েশিয়া ও ইজলাইলের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, যা এ ধরনের ঘটনার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
একটি ঘটনায় দেখা যায়, -এ ট্রানজিটের সময় ফিলিপাইনগামী চারজন ইসরাইলি তরুণ-তরুণীকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে দুজন নারী জানান, থাইল্যান্ড থেকে ফিলিপাইনে যাওয়ার পথে তারা একটি চ্যাটবটের মাধ্যমে কুয়ালালামপুরে ট্রানজিট নিরাপদ কিনা জানতে চেয়েছিলেন এবং ইতিবাচক উত্তর পেয়েছিলেন। তবে পরে পরিস্থিতি বুঝে তারা ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
আরেক ঘটনায়, কলম্বিয়া থেকে ফিলিপাইনে যাওয়ার পথে দুই ইসরাইলি পুরুষকে মালয়েশিয়ায় আটক করা হয় এবং দুই দিন পর তাদের আবার কম্বোডিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব আটকের মেয়াদ সাধারণত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা হলেও অনেক ক্ষেত্রে তা দীর্ঘায়িত হয়। বিশেষ করে, অন্য দেশগুলো বহিষ্কৃত ইসরাইলিদের প্রবেশের অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে, ফলে ভ্রমণকারীদের যাত্রা বিলম্বিত হওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত ব্যয়ের মুখে পড়তে হয়।
এদিকে,সিঙ্গাপুরে এ অবস্থিত ইসরাইলি দূতাবাসের সহায়তায় কয়েকজনকে মুক্ত করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রদূত এলিয়াহু ভেরেড হাজান নাগরিকদের মালয়েশিয়া ভ্রমণ বা ট্রানজিট এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।
তার মতে, সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ভ্রমণকারীদের জন্য ভোগান্তির পাশাপাশি সময়ক্ষেপণ ও অতিরিক্ত খরচের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।